কনটেন্টপ্রিনিয়র হয়ে ওঠার গল্প,
প্রভাবিত করবে আপনার সুন্দর বিজনেস জার্নিতেও
আমি প্রচন্ডভাবে বিশ্বাস করি, মহান সৃষ্টিকর্তা আমাকে একটি মহৎ কাজ করাতে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন, প্রধান কারণ - মানব কল্যানে কাজ করা। সে কাজটি করতে চাই ১৩ লক্ষ (১৮ কোটি’র ০.৭২%) মানুষের জীবনে অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা, ন্যায্যতা, ন্যায়পরায়ণতা ও ডিসিপ্লিন লাইফে অভ্যস্ত হওয়ার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করার মাধ্যমে।
খুবই আত্মবিশ্বাসের সাথে দীর্ঘদিন ধরে যাত্রাপথে বিরতিহীনভাবে কাজ করে যাচ্ছি এই কাজটি সম্পন্ন করার লক্ষ্যে।
আমার সম্পর্কে জানতে আপনার আগ্রহ দেখে সত্যিই আনন্দবোধ করছি। খুবই দৃঢ়তার সাথে বলতে পারি, আপনার সাথে ভ্যালুয়েবল জার্নিতে আপনাকে চমৎকারভাবে সাপোর্ট দিয়ে আমি আরো বেশি প্রফুল্লচিত্তে হাসতে চাই ও আরো বেশি আনন্দিত হতে চাই।
বেশ কিছুক্ষণ সময় এলাউ করলে আমার সম্পর্কে যেমন জানতে পারবেন, ঠিক তেমনিভাবে জানতে পারবেন কোন পথ অবলম্বন করে এ পর্যন্ত আসতে পেরেছি, যা আপনার ক্যারিয়ারেও কাজে লাগতে পারে।
চলুন শুরু করি….
আমার কাছে লাইফের কঠিন জার্নিকে সহজ করে ভাবতে পারা এবং সমাধানের সহজ পথ খুঁজে নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার নামই সফলতা। সর্বপ্রথম পত্রিকা অফিসে সহকর্মীদের কাজে সহযোগিতা করার মধ্য দিয়ে উপলব্ধি করতে পারি, যেকোনো কঠিন বিষয়কে সঠিকভাবে সমাধান করতে পারি কম সময়ে। পাশাপাশি খেয়াল করলাম নিউজ রি-রাইটিংয়ের মাধ্যমে কনটেন্টে আনতে পারতাম দারুন পরিবর্তন। সেই থেকে শুরু, এরপর ছুটে চলা ব্যস্ততম এই জনপদে।
ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় জার্নি,
নিজে কঠোর পরিশ্রম করলেই যে সফলতা আসবে সেটা ভুল প্রমাণিত হলো, নিভে গিয়েছিলো প্রজ্জলিত প্রদীপের আলো। সকাল থেকে রাত অবদি নিরবচ্ছিন্ন কাজ করেও আলটিমেট রেজাল্ট হলো, বিজনেসে ব্যর্থতা। বাধ্য হলাম সহযোদ্ধাদের সঙ্গ থেকে বের হয়ে আসতে। তবে কখনোই লেখনি আমার বন্ধ ছিলো না। অনবরত লিখে চলছিলাম কখনো নিজেদের প্ল্যাটফর্মে, কখনো সোস্যাল মিডিয়ায় কিংবা বিভিন্ন কমিউনিটিতে।
দ্বিতীয় জার্নিতে থাকা অবস্থায় লেখনির ফলে কিছু প্রশংসাও কুড়ালাম প্রায় লাখো মানুষের কমিউনিটিতে। অবশ্য সময়টা খুব বেশিদিন আগেরও নয়।
ঠিক তখন থেকেই উদ্যোক্তাদের ন্যাচার নিয়ে ভাবনার শুরু, এরপর অর্জিত জ্ঞানের দ্বারা নিয়মিত লিখতে থাকি।
পাওয়ারফুল ৫১৫ দিনের হাই-ভোল্টেজ জার্নি
শুরুতেই বলে রাখি, এই অংশে কিছু স্ট্রাটেজি সম্পর্কে জানবেন যা আপনার বর্তমান পথচলায় দারুনভাবে সাহায্য করতে পারে। ৫১৫ দিনের জার্নিতে ৫ টি অসাধারণ কাজ
১ - প্রতিষ্ঠানিক লো টু হাই ট্রান্সফরমেশন
২ - কনটেন্টে নো স্ট্রাটেজি টু রাইট স্ট্রাটেজি ফরমেশন
৩ - কনটেন্ট ক্রিয়েশন ডিপা. সিস্টেমাইজেশন
৪ - হিউজ এন্টারপ্রিনিয়রিয়াল কানেকশন
৫ - লিস্টেড এন্টারপ্রিনিয়রিয়াল প্রবলেম
উপরের প্রতিটা বিষয়ের সাথে জড়িয়ে আছে ‘আমার কনটেন্ট ক্রিয়েশন ওয়ার্ক’। প্রাতিষ্ঠানিক ট্রান্সফরমেশনের আগেও চ্যালেঞ্জিং কাজ করেছি, সে সময়ের কথা এখনো মনে আছে, সকল ধরনের সোস্যাল মিডিয়া পেইড মার্কেটিং পুরোদমে অফ!
কিন্তু ডেইলি সেলস লাগবেই, ঠিক ঐ সময়ে মাত্র কয়েকমাসে ০-টাকার মার্কেটিংয়ে ১৩,০০,০০০+ টাকার সেলস, যেটাতে প্রোডাক্ট ক্রিয়েশন খরচও ০-ই ছিলো।
এটি সম্ভব হয়েছিলো কারণ, তখন আমার হাতে থাকা এক্সিসটিং এলিমেন্টগুলোকে সিম্পল বাট প্রুভেন ফর্মূলায় ব্যবহার করেছিলাম, যে ফর্মূলা এখনো বীরদর্পে কাজ করছে।
পরবর্তী ধাপে বিজনেস ট্রান্সফরমেশনের পর চ্যালেঞ্জিং আসে আরো বড় ধরনের, যা প্রায় 3X গুণ। এরপরই মূলত শুরু হলো কনটেন্ট ক্রিয়েশনের মাধ্যমে রাইট স্ট্রাটেজি ফরমেশন এন্ড সিস্টেমাইজেশন -এর কাজ। জার্নির সাথেই থাকুন, কিভাবে আমি অনেকগুলো চ্যালেঞ্জ ওভারকাম করেছি এবং রেজাল্ট এসেছে তার সবগুলোই ধীরে ধীরে শেয়ার করবো আপনার সাথে ইনশাআল্লাহ।
এই ধাপে এসে আমাকে যে ৪ টি কাজ করতে হয়েছিলো
১ - অডিয়েন্স এন্ড কনটেন্ট ফুল জার্নি
২ - কনটেন্ট এন্ড ক্রিয়েটিভ টিম ওয়ার্ক ট্র্যাক
৩ - রেজাল্ট (নট রিসার্চ) এন্ড ডেভেলপমেন্ট
৪ - কনসিসটেন্ট একটিভিটি’স
এগুলোর মাধ্যমেই জার্নির ইতি টানা হয় ৫১৫ তম দিনের। কাজের পারফমেন্স হিসেবে এচিভমেন্ট এর পালকে যুক্ত হয় সম্মাননা।
উদ্যোক্তার আত্মকথন অভিজ্ঞতা
যেকোনো বড় ধরনের কাজ করার ক্ষেত্রে সেটা সম্পর্কে পরিপূর্ণ জ্ঞান না থাকলে কখনোই সে কাজে প্রকৃত সফলতা আনা সম্ভব নয়। আপনার প্রচন্ড সাহস কিন্তু সাঁতার জানেন না, পানিতে পড়ে গেলে কিভাবে সাঁতার কেটে পাড়ে উঠতে হয় এ ব্যাপারে আপনার পরিপূর্ণ কোনো জ্ঞান নেই, তাহলে কি জীবিত ফেরা সম্ভব? - অবশ্যই না।
কিংবা ইউটিউবে দেখেছেন কিভাবে মানুষ সাঁতার কাটছে কিন্তু প্র্যাকটিক্যাল অভিজ্ঞতা নেই তাহলেও কিন্তু পানিতে পড়ে গেলে আপনি উঠতে পারবেন না।
উদ্যোক্তা ও কনটেন্ট এ দুটি বিষয়ের সাথে জড়িয়ে থাকার মধ্যে যে ভালো লাগা, যে প্রশান্তি তা বলে বুঝানো সম্ভব নয়। উদ্যোক্তা হয়ে গড়ে উঠার যে যন্ত্রণা সেটা আপনি উদ্যোক্তা হয়তো কিছুটা বুঝা শুরু করেছেন অথবা পুরোপুরি জানেন, সেটি ওভারকাম করে একটা পর্যায়ে আসা।
অন্যদিকে কনটেন্ট, যেটির জন্য আমাকে লাইফে অনেক বেশি পেইন নিতে হয়েছে, লাইফের প্রতিটা জার্নিতেই আমাকে নিরুৎসাহিত করা হতো যাতে লেখালেখি না করি কিন্তু যেটা আমার রক্তের সাথে মিশে আছে, যেটির জন্য এত এত স্ট্যাডি, এত এত কটুকথা হজম করেছি সেটা নিয়ে কাজ বন্ধ করা কখনোই সম্ভব নয়।
গত কয়েক বছরে বহু উদ্যোক্তাকে বিভিন্নভাবে কনটেন্ট জার্নি, প্ল্যানিং ও গাইডলাইনসহ নানাবিধ সল্যুশন করে দেয়ার পর উদ্যোক্তাদের মধ্যে যে বিষয়গুলো দেখে আমাকে অনেক বেশি অনুপ্রাণিত করেছে;-
১ - প্রশান্তির হাসি
২ - প্রবল উৎফুল্লতা
৩ - প্রচন্ড মোটিভেটেড
৪ - হিউজ কনফিডেন্ট
এগুলোই প্রকৃত রেজাল্ট পাওয়ার অনুভূতি ব্যক্ত করে আমাকে কাছে।
যেহেতু আমি নিজেও ২০১৯ সাল থেকে বিজনেসের সাথে সম্পৃক্ত এবং দীর্ঘদিন ধরে উদ্যোক্তাদের সাথে কাজ করছি, তাদের কথা শুনছি ও পুরো জার্নি সম্পর্কে ক্রিস্টাল ক্লিয়ার।
তো আমি জানি আসলে একজন উদ্যোক্তার চলমান পথে কনটেন্ট ক্রিয়েশন, এক্সিকিউশন এন্ড পারফমেন্স নিয়ে কত ধরনের একটিভিটি’স আছে, পথের কোন কোন জায়গায় কনফিউশন, প্রবলেমস এন্ড মিস-কনসেপশন আছে যেগুলোই আসলে বিজনেসের সেলস না হওয়ার পথে বাঁধা ও সেলস ডেভেলপমেন্টের মূল প্রতিবন্ধকতা।
যার কারনে বিশাল স্বপ্ন নিয়ে শুরু করা উদ্যোক্তাও কিছুদিন পর হতাশ হয়ে উঠে, বিজনেস বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয় ও প্রচন্ড পেইন সহ্য করে। — এ বিষয়গুলো আমাকে অনেক ভাবায় প্রতিনিয়ত, মানব কল্যানে কাজ করার পাথ খুঁজে নিতে সহায়তা করে।
এক পর্যায়ে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই নিজের সাথে, অভিজ্ঞতাগুলোকে ছড়িয়ে দিয়ে অনলাইন বিজনেস যোদ্ধাদের পাশে সহযোদ্ধা হিসেবে থাকতে চাই, যার পরিণতিতেই জন্ম ‘কনটেন্টপ্রিনিয়র’ আমার।
সবশেষে বলতে চাই, সকল অনলাইন বিজনেস-যোদ্ধা উদ্যোক্তার মনে বিজয়ের হাসি ফুটুক, দেশে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাক, এ ইন্ডাষ্ট্রির মাধ্যমে ক্ষীণ হয়ে আসুক পিছুটানের ক্লান্তি, সমাজে স্ট্যাব্লিজড হোক ন্যায্যতা, ন্যায়পরায়ণতা ও মানবিক মূল্যবোধ।
0
+
BDT Spend by Content
0
+
TK Revenue Generate
0
+
Readers active in Digital Content
0
+
Experience in Writing
যাদের সাথে কাজ করা হয়েছে







আমাদের যাত্রার মুহূর্তগুলো এক ফ্রেমে
আমাদের কাজ, সফলতা আর স্মৃতিময় অভিজ্ঞতা - প্রতিটি ছবিই বলে একেকটি গল্প





